দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরের শ্রীবরদীর শালমারা গ্রামে কবরস্থানের জায়গা না থাকায় বসতঘরের ভেতরে দাফন করা হয়েছিল করিম মিয়া (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে। পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কবরস্থানের জন্য জমি কেনা ও স্থানীয় এক ব্যক্তির জমি দানের মাধ্যমে ওয়াকফকৃত কবরস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বৃদ্ধের মরদেহ পুনরায় দাফন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন এ তথ্য জানান।
জেলা প্রশাসক বলেন, ঘরের ভেতরে মরদেহ দাফনের বিষয়টি জানতে পেরে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদকে সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে নিহতের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ শতাংশ জমি কেনা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় এক ব্যক্তি কবরস্থানের জন্য আরও পাঁচ শতাংশ জমি দান করেন। পরে ওই জমিতে ওয়াকফকৃত কবরস্থান প্রতিষ্ঠা করে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী মরদেহ পুনরায় দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, করিম মিয়ার পরিবার অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছে। মানবিক দিক বিবেচনায় পরিবারের আয়ের ব্যবস্থা করতে তার ছেলেকে একটি ইজিবাইক দেওয়া হবে।
স্থানীয় স্কুলশিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, তাদের গ্রামে আগে কোনো ওয়াকফকৃত কবরস্থান ছিল না। করিম মিয়ার ছেলে, মেয়ে ও মেয়ের জামাইয়ের সিদ্ধান্তে তাকে বসতভিটার ভেতরে দাফন করা হয়েছিল। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর উদ্যোগে কবরস্থানের জন্য জমির ব্যবস্থা করা হয়।
তিনি বলেন, নতুন কবরস্থানের ব্যবস্থা হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা উপকৃত হয়েছেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা, ইউএনও ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে সেখানে করিম মিয়ার মরদেহ পুনরায় দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে করিম মিয়ার মৃত্যু হয়। পরদিন সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তাকে নিজেদের বসতঘরের ভেতরে দাফন করা হয়েছিল।
যে আই